আমের ১০ স্বাস্থ্য উপকারিতা

আমের সিজন চলছে। ইতোমধ্যে বাজারে আম পাওয়া যাচ্ছে। কিছুদিন পর ফলের দোকানগুলোতে আমে ভরেপুর হয়ে যাবে। আমের  রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ। বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমানোর উপাদান রয়েছে এতে। আম খাওয়ার ফলে স্থুলতা, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। আমের ১০টি নির্বাচিত স্বাস্থ্য উপকারিতা তুলে ধরা হল-

১. ক্যান্সার প্রতিরোধ: গবেষণায় দেখা গেছে, আমে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে এটা কোলন, স্তন, লিউকেমিয়া এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে।

২. ত্বক পরিষ্কার: আমে থাকা ভিটামিন সি কোলাজেনের উৎপাদনে সাহায্য করে যার ফলে ত্বক সতেজ ও টানটান হয়। আম খেলে সূর্যের আলোতে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের ক্ষতির পরিমাণ কমে যায়।

৩. চোখের যত্নে: আমে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ। এক কাপ পাকা আম খেয়ে সারাদিনের ভিটামিন এ’র চাহিদার ২৫% পূরণ করা সম্ভব। এছাড়া এটা দৃষ্টিশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে, চোখের শুষ্কতা ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।

৪. হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা করে: আমে উচ্চ আঁশ ও এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় তা হৃদরোগের সম্ভাবনাকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়। এক কাপ আমে ৩ গ্রাম আঁশ রয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি ৭ গ্রাম আঁশ গ্রহণের ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমায় ৯%।

৫. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: আমের পাশাপাশি এর পাতাও বেশ উপকারী। যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা ৫-৬টি আম পাতা ধুয়ে একটি পাত্রে সেদ্ধ করে নিয়ে সারারাত রেখে সকালে এর ক্বাথ ছেঁকে নিয়ে পান করতে পারেন। এটা ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৬. কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে: উচ্চ আঁশযুক্ত আম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটা ভালো হজমের জন্য এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের জন্য খুবই কার্যকরী।

৭. কামোত্তেজক: আমের রয়েছে কামোত্তেজক গুণাগুণ। একে ‘লাভ ফ্রুট’ও বলা হয়। আমে প্রচুর ভিটামিন ই থাকাতে এটা সেক্স হরমোনকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

৮. হজমে সাহায্য করে: আম প্রচুর খাদ্য আঁশ, ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর। আমে থাকা আঁশ হজমে এবং বর্জ্য ত্যাগ করতে সাহায্য করে।

৯. হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড খরতাপ রোদ্রে আমের রসের সঙ্গে সামান্য পানি, এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে খেলে তাৎক্ষণিকভাবে শরীর ঠান্ডা হয় এবং হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ হয়।

১০. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: আমে ভিটামিন সি, এ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রায় ২৫টি ক্যারোটিনয়েডের মাত্রাতিরিক্ত ভালো সমন্বয় করে। এর ফলে এটা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর।