আরও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন

বর্তমানগুলোর মান নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে আরও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ নিয়ে অনুমোদন পাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা একশতে দাঁড়িয়েছে। এর আগে অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ৯৮টি। যার মধ্যে ৯৫টি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে।

অনুমোদন পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় দুটি হলো- ‘খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়’ও  ‘আহছানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’। এর একটি খুলনায় অন্যটি রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠা করা হবে। দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম।  ‘আহছানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন রয়েছে তার।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ এর ৩৬ ধারা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিশ্রুতিতে এবং একই আইনের ৭ এর ১ ও ২ ধারা অনুযায়ী ২৩টি শর্তে ২৩টি শর্তে নতুন  বিশ্ববিদ্যালয় দুটি প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি সেগুলোর বিরুদ্ধে শিক্ষা বাণিজ্যেরও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে সরকার ছয় দফা সময় দিলেও এখন পর্যন্ত ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয়  সে শর্ত পূরণ পারেনি।

অন্য শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন, কমপক্ষে তিনটি অনুষদ ও ছয়টি বিভাগ, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, ছাত্রছাত্রীদের জন্য কমনরুম, সেমিনার কক্ষসহ পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকতে হবে। পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো বিভাগ খোলা যাবে না।

এ ছাড়া প্রতিটি বিভাগে শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্টসংখ্যক পূর্ণকালীন শিক্ষক থাকতে হবে। আচার্যের (রাষ্ট্রপতি) পূর্ব অনুমোদন ছাড়া বিদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা যাবে না। আরোপিত শর্তগুলো ৩০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে।