উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া টোটকা

আজকাল উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত ওজন, স্ট্রেস, অনিয়মিত ডায়েট এবং কম ওয়ার্কআউট, সবকটিই উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এটাকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়ে থাকে। ঘরোয়া কিছু টোটকায় এর হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

কলা: কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম যা রক্তচাপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ডায়েটে কলা রাখা উচিত। প্রাতরাশ, স্ন্যাকস দিনের যেকোনো খাবারে কলা রাখার চেষ্টা করুন।

লবণ কম খাওয়া: উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সবার আগে লবণ খাওয়া কমাতে হবে। অতিরিক্ত লবণ রক্তে মিশে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়ায় এবং দেহে সোডিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট করে। ফলে রক্তচাপ হু হু করে বাড়তে থাকে। কিডনির উপরেও এর যথেষ্ট প্রভাব পড়ে।

সবুজ সবজি: নিয়মিত সবুজ সবজি ও শাকপাতা ডায়েট তালিকায় রাখুন। ফাইবার সমৃদ্ধ সবুজ সবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ফোলেট যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। কম তেলে রান্না সবজি বা সেদ্ধ সবজি খেলে শরীরে ক্যালোরি কম ঢুকবে।

ওটমিল: ওজন কমাতে এবং এনার্জি বাড়াতে ওটসের কোনো বিকল্প নেই। ডায়েটিশিয়ানরা প্রাতরাশে ওটস খাওয়ারই পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ওটসে সোডিয়ামের মাত্রা খুব কম, তা ছাড়া রয়েছে উচ্চমাত্রায় ফাইবার যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

কমলা লেবুর রস: নিউট্রিশনিস্টদের মতে, কমলালেবুর রসের সঙ্গে ডাবের পানি মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করুন। দিনে ২ থেকে ৩ বার এই মিশ্রণ খেলে রক্তচাপ অনেক নিয়ন্ত্রণে থাকে।

শশা: এতে জলীয় উপাদান খুব বেশি থাকে। ওজন কমানো বা ডায়াবেটিসের সমস্যা, শশা যেকোনো ক্ষেত্রেই খুব উপকারী। বিশেষজ্ঞতের মতে, নিয়মিত ডায়েটে শশার রায়তা খেলে রক্তচাপ কমে, শরীরে রোগপ্রতিরোধ শক্তি বাড়ে।

মধু: হাইপারটেনশন কমানোর আর একটি ঘরোয়া টোটকা হল মধু। এক কাপ উষ্ণ গরম পানিতে এক চামচ মধুর সঙ্গে ৫-১০ ফোঁটা অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে প্রতিদিন প্রাতরাশের আগে খান। অনেক উপকার পাবেন।