কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৪ মামলার আসামি নিহত

কুমিল্লায় ডিবি সদস্যদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১৪ মামলার এক আসামি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
১৮ এপ্রিল, বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বুড়িচংয় উপজেলার কংশনগরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন- কুমিল্লা ডিবি পুলিশের ওসি নাসির উদ্দিন মৃধা, কনস্টেবল আবদুল্লাহ ও সাইফুল। এ ছাড়া পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে।
আটককৃতরা হলেন- দেবিদ্বার উপজেলার জারু মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন এবং একই উপজেলার ধামতি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে লিমন সরকার।
নিহত ব্যক্তির নাম আবদুল হালিম। তিনি বুড়িচংয়ের বাজেবাহেরচর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে। পুলিশের দাবি, হালিম ডাকাত দলের সর্দার ছিলেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) আবদুল্লাহ আল-মামুন জানান, কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক সড়কের কাছে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে একদল ডাকাত, এমন খবরে সেখানে যায় ডিবি পুলিশের একটি দল।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ও গুলি ছুড়ে ডাকাত দলের সদস্যরা। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ৩৭ রাউন্ড শর্ট গানের গুলি ছুড়ে। সে সময় হালিম গুলিবিদ্ধ হয়।
আহত হালিমকে পুলিশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য হালিমের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এএসপি আরও জানান, এই ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া ডাকাত দলের দুই সদস্যকে আটক করেছে।
নিহত হালিমের নামে কুমিল্লার বিভিন্ন থানায় সড়ক ও বাড়িতে ডাকাতি, বোমা বিস্ফোরণসহ ১৪টি মামলা রয়েছে বলেও জানান পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল-মামুন।