কুষ্টিয়ায় গুলিতে দুই ‘মাদক কারবারি’ নিহত

কুষ্টিয়ার আলাদা দুটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হয়েছেন, যারা মাদক কারবারি বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহনীটি। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সদর উপজেলার কবুরহাট এবং দৌলতপুর উপজেলার মুসলিমনগর এলাকায় এসব বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত দুইজনের মধ্যে একজনের নামপরিচয় জানা গেছে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন জানান, রাতে সদর উপজেলার কবুরহাট মাদ্রাসাপাড়া জিকে ক্যানেলের পাশে মাদক কারবারিদের দুই পক্ষে গোলাগুলি চলছে এমন খবরে সেখানে যায় পুলিশের একটি টহল দল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা গুলি ছোঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্দুকযুদ্ধের সময় কুষ্টিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি ও ৮ শ’ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে ওসি নাছির জানান। নিহত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানা যায়নি।

অন্যদিকে দৌলতপুর উপজেলার মুসলিমনগর এলাকায় আরেকটি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে মদন নামে ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

নিহত মদন সীমান্ত সংলগ্ন জামালপুর গ্রামের রিফাজ উদ্দিনে ছেলে। তার বিরুদ্ধে দেড় ডজনেরও বেশি মামলা রয়েছে।

দৌলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান জানান, রাত তিনটার দিকে উপজেলার মুসলিমনগর মাঠে দু’দল মাদক কারবারির মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে মদন নামে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার দৌলতপুর হাসাপতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, নয় শ পিস ইয়াবা ও ৩০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।