চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা পাচ্ছেন আনুশকা

ভারতীয় চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার। ভারত সরকারের সূচনা এবং প্রসারণ মন্ত্রণালয় দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ডিরেক্টরেট অব ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল নামক সংস্থা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সমারোহে এই পুরস্কারটি প্রদান করে। ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রগতি ও উন্নতির জীবনব্যাপী অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সাধারণত এই পুরস্কার দেয়া হয়। চলতি বছরে সর্বোচ্চ সেই সম্মাননাটি পেতে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা।

আনুশকার অভিনয় ক্যারিয়ার খুব বেশি দিনের নয়। ২০০৮ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘রব নে বানা দি জোড়ি’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল তার। এ পর্যন্ত আনুশকার ঝুলিতে ছবির সংখ্যা ১৫টি। যেগুলোর বেশির ভাগই সুপারহিট। খুব অল্প সময়েই বলিউডে নিজের পায়ের তলার জমি পাকাপোক্ত করে নিয়েছেন তিনি। তবে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারটি কিন্তু তিনি অভিনেত্রী হিসেবে পাচ্ছেন না, পাচ্ছেন একজন সফল নারী প্রযোজক হিসেবে।

বলিউডে অসংখ্য নামিদামি প্রযোজকের ভীড়ে নারীদের সংখ্যা খুবই নগণ্য। এই তালিকাটাকে একটু লম্বা করতে অভিনয়ের পাশাপাশি ২০১৫ সালে ছবি প্রযোজনায় নামেন আনুশকা। নির্মাণ করেন তার প্রথম ছবি ‘এনএইচটেন’। এরপর ২০১৭ সালে ‘ফিল্লোরি’ আর নতুন বছরে ‘পরী’। ছবি তিনটিতে তিনি অভিনয়ও করেছেন। নায়িকা আনুশকা প্রযোজক হিসেবেও বেশ নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। তার প্রযোজিত তিনটি ছবিই খুব ভালো ব্যবসা করেছে।

এত অল্প বয়সে এবং কম সময়ে একজন নারী প্রযোজক হিসেবে এই ধরণের সাফল্যের জন্যই ভারতীয় চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার হাতে উঠছে আনুশকার। খুব শিগগিরই তার হাতে এই সম্মননা তুলে দেয়া হবে। প্রযোজনার ক্ষেত্রে নতুন বছরে তার হাতে রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি প্রোজেক্ট। তবে আপাতত তিনি ব্যস্ত শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘জিরো’ ছবির শুটিং নিয়ে। পাশাপাশি অপেক্ষা পুরস্কার গ্রহণের সেই বিশেষ দিনটির জন্য।