চুপিসারে আসে যায় বৃষ্টি

ঋতুবৈচিত্রে পুরোদমে চলছে বর্ষাকাল। তবে মৌসুমে যে বৃষ্টি ছাড়া অসম্পূর্ণ বর্ষা, তার দেখা দেখা মিলেনি এখনও। যদিও যখন-তখন থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। যেন চুপিসারে এসে জানান দিয়ে যাচ্ছে ‘আমি আছি’। তবে এমন বৃষ্টিতে বর্ষার পুরো আবহ আসেনি। যদিও তা নগরজীবনে গরমের কবল থেকে খানিকটা স্বস্তি দিচ্ছে।গত কয়েকদিন ধরে এমনই বর্ষার দেখা মিলছে। সোমবার দিবাগত রাতেও নিশ্চুপেই খুব বৃষ্টি হয়ে গেলো। কিছুক্ষণ প্রবল হলেও পরক্ষণে কমে আসে তার ধারা। রাতের অমন বৃষ্টির পরে সূর্যের মন না গলে উপায় আছে? তাই তো মঙ্গলবার ঢাকায় তাপমাত্রার পারদ অনেকটা কমে এসেছে। ঢাকায় আজ সর্বোচ্চ ২৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বনিম্ন ২৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত দুই দিন থেকে সারাদেশে আকাশে কালো মেঘ ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর কালো মেঘ মানেই বৃষ্টির সম্ভাবনা। আবহাওয়ার পূর্বাভাসও একই কথা বলছে। মানে দুয়েকদিনের মধ্যে পুরোদমে দেখা মিলবে বর্ষার।

আবাহওয়া অধদপ্তরের আবাহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, গত দুইদিন থেকে সারা দেশে বৃষ্টির প্রবণতা বেড়ে গেছে। আজও সারা দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে। এ রকম বৃষ্টির প্রবণতা আরও দুই থেকে তিন অব্যাহত থাকবে।

নাজমুল হক বলেন, রংপুর, ময়নসিংহ, সিলেট চট্টগ্রামের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা,ম রাজশাহী, খুলনা ও বরিশঅল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। গত চব্বিশ ঘন্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ১৭০ মিলিমিটার এবং ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২৩ মিলিমিটার।

চব্বিশ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।