পশু মোটা করতে ওষুধের সরবরাহ বন্ধে উদ্যোগ

ঈদুল আযহার আগে কোরবানির পশুকে ক্ষতিকারক ওষুধ খাইয়ে মোটা বানানো ঠেকাতে ওষুধের ব্যবহার ঠেকাতে উদ্যোগী হওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। মন্ত্রী জানান, যেসব ওষুধ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর তালিকা প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেয়া হবে। এরপর এগুলোরে সরবরাহ বন্ধ করার বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চিত করবে।

রবিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশব্যাপী যথাযথ মর্যাদায় শোক দিবস পালনে কর্মসচি চূড়ান্তকরণ ও পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য পশু মোটাতাজা করার চল আছে। কিন্তু কেউ কেউ আবার ক্ষতিকারক ওষুধ ব্যবহার করেন যাতে পশুর ফুসফুসে পানি চলে আসে এবং পশুকে মোটা দেখায়।

এসব পশুর মাংস খেলে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ক্ষতিকর হতে পারে তেমনি তা পশুর জন্যও হুমকি হতে পারে। কোরবানির হাটে বা হাটে আনার পথেও মৃত্যু হতে পারে এগুলোর।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে গরুর মালিক কোরানির পশুকে মোটাতাজা করার জন্য অবৈধ ড্রাগ ব্যবহার করে। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ’

‘যে সমস্ত অবৈধ ড্রাগ গরু মোটাতাজা করার জন্য ব্যবহার করা কিন্তু সেগুলো জনস্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর সেগুলো যেন পশুর হাটে কিংবা অন্য কোথাও সরবরাহ করা না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।’

এবার ঈদে ঢাকায় আপাতত ২২ টি পশুর হাট বাসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, পরে এটি বেড়ে ২৯টি হতে পারে।

প্রতিটি হাটেই সিসি ক্যামেরা থাকবে। আর কোনো ক্রেতা বা বিক্রেতা যেন জাল টাকার খপ্পরে না পড়ে সে জন্য প্রতিটি হাটে জালটাকা শনাক্তের মেশিন বসানো হবে।