মহামান্য রাষ্ট্রপতি আজ কুয়েটের তৃতীয় সমাবর্তনে যোগ দেবেন

 

 

 

 

 

 

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন আজ। ৩য় সমাবর্তকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এখন গ্রাজুয়েটদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে। উচ্চ শিক্ষা সমাপ্তির পর সবচেয়ে কাক্সিক্ষত ক্ষণ সমাবর্তন। আর মাত্র কয়েক ঘন্টা পরই দেখা মিলবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণের। মা-বাবা, স্বামী বা স্ত্রীকে নিয়েই অনেকে এসেছে এই ক্ষণটিকে স্মরণীয় করে রাখতে।
বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে তৃতীয় এ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মোঃ আব্দুল হামিদ সভাপতিত্ব করবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান, সমাবর্তন বক্তা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক রশীদ চেয়ার, প্রফেসর ড.মোহাম্মদ আলী আসগর, ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড.কাজী হামিদুল বারী, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুর রফিক, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মিহির রঞ্জন হালদার ও রেজিস্ট্রার জি এম শহিদুল আলম।
এছাড়া মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, নির্বাচিত জন প্রতিনিধি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক, আমন্ত্রিত অতিথি, রাজনৈতিক নের্তৃবৃন্দ, অভিভাবক ও গ্রাজুয়েটগণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাগণ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
অনুষ্ঠানে তিন অনুষদের ডীন স্ব স্ব অনুষদের গ্রাজুয়েটদের ডিগ্রী প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতি ও মহামান্য চ্যান্সেলরের নিকট উপস্থাপন করলে তিনি ডিগ্রী প্রদান করবেন।
সমাবর্তনে সর্বমোট দুই হাজার ৭৯৫ জনকে স্নাতক ও ২২৮ জনকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রদান করা হবে। এর মধ্যে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং দুই হাজার ৬৫৭, বিইউআরপি ১৩৮, এম এস সি ৬৯, এম এস সি ইঞ্জিনিয়ারিং ১০৩, এমফিল ৪৮ এবং ৮ জনকে পিএইচডি ডিগ্রীর সনদ প্রদান করা হবে। এ ছাড়া স্নাতক পর্যায়ে ভাল ফলাফলের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক দেয়া হবে ৩৮ জন কৃতি গ্রাজুয়েটকে ।
ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৩য় সমাবর্তনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এ উপলক্ষে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটি এবং ২১টি উপ-কমিটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তাদের দায়িত্ব সম্পন্ন করেছে। সমাবর্তনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের খেলার মাঠে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল মঞ্চ। প্রায় সাড়ে তিন হাজার অতিথির বসার জন্য তৈরী করা হয়েছে প্যান্ডেল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করছে ৩য় সমাবর্তন সকলের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।