রূপসা নদীতে ১৩তম নৌকা বাইচ শনিবার, অংশ নেবে ৩৪টি দল

খুলনার রূপসা নদীতে আগামী শনিবার গ্রামীণফোনের সহযোগিতায়, জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং নগর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে ১৩ তম নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হবে। নৌকা বাইচে তিনটি গ্রুপে মোট ৩৪টি নৌকা অংশ নেবে। বুধবার দুপুর ১২টায় খুলনা ক্লাবে গ্রামীণফোন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর শিববাড়ি মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহীদ হাদিস পার্কে গিয়ে শেষ হবে। দুপুর ২টায় ১নং কাস্টম ঘাটে অতিথিরা নৌকা বাইচের উদ্বোধন করবেন। দুপুর আড়াইটায় ১ নং কাস্টম ঘাট থেকে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে রূপসা সেতুতে গিয়ে শেষ হবে। সন্ধ্যায় রূপসা ঘাটে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

এ বছর প্রতিযোগিতায় কয়রা, পাইকগাছা, তেরখাদা, কালিয়া, নড়াইল ও মাদারীপুর থেকে ১৫টি বড় এবং ১০ টি ছোট বাইচ দল আসছে। এর মধ্যে বড় দলের প্রথম বিজয়ীরা পুরস্কার হিসেবে পাবে এক লাখ টাকা, দ্বিতীয় দল পাবে ৬০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় দল পাবে ৩০ হাজার টাকা। ছোটদলের প্রথম বিজয়ী দল ৫০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় দল ৩০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় দল পাবে ২০ হাজার টাকা। এবার গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও ফরিদপুর এলাকার ১২টি নৌকা নিয়ে একটি বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছে। সেই দলের প্রথম বিজয়ী পাবে ৫০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় দল ৩০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় দল পাবে ২০ হাজার টাকা।

বাইচ প্রতিযোগিতার পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছে ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা। গ্রামীণফোন গ্রাহকরা নৌকা বাইচের ছবি ড়িনিড়ী এ ২১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে শেয়ার করে জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় পুরষ্কার। গ্রামীণফোন গ্রাহকগণ গুগল প্লে স্টোর থেকে ড়িনিড়ী অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের খুলনা সার্কেল প্রধান মোঃ আওলাদ হোসেন, গ্রামীণফোনের খুলনা সার্কেল হেড অব মার্কেটিং আবুল হাসনাত, নগর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি মোল্ল¬া মারুফ রশীদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম এবং প্রধান উপদেষ্টা শেখ আশরাফ-উজ-জামান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নৌকা বাইচ নির্বিঘেœ পরিচালনার জন্য বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নৌকা বাইচের দিন সকাল ১০টা থেকে ১ নং কাস্টম ঘাট, নতুন বাজার লঞ্চ ঘাট ও রূপসা ফেরিঘাটে সকল যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকবে। এছাড়া বিশেষ প্রয়োজনে মেডিকেল টিম ও ফায়ার সার্ভিস কাজ করবে। রূপসা সেতুতে কোনো গাড়ি পার্ক করা যাবে না। সেতুতে শুধুমাত্র মহিলা ও শিশুরা অবস্থান করতে পারবেন।