শুক্রবার সকাল থেকে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আগামী শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন। ১৯ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।

পরিপত্রে বলা হয়, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ অনুসারে ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে ১লা জানুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত সকল নির্বাচনী এলাকায় যেকোনো ধরণের সভা, সমাবেশ ও মিছিল, শোভাযাত্রা করা যাবে না।’

সেখানে আরো বলা হয়, ‘ইতোপূর্বে উল্লেখিত সময়সীমা ভোটগ্রহণের মধ্যরাত্রি হতে পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা ছিল। ফলে বিষয়টি রিটার্নিং অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা মাধ্যমে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলকে অবহিতকরণের প্রয়োজন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় হতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বিষয়ৈ সর্বাধিক প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে।’

এছাড়া যান চলাচলের নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের পূর্বের দিন রাত ১২টা থেকে ভোটগ্রহণের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় ট্যাক্সি ক্যাব, বেবীট্যাক্সি/অটোরিক্সা, মাইক্রোবাস, জীপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো, লঞ্চ, ইজি বাইক, ইঞ্জিনবোট ও স্পিডবোটসমূহের চলাচলের উপর উক্ত নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে।

তবে সারাদেশে ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে ২ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ক্ষেত্র বিশেষ আরো অধিককাল মোটরসাইকেল বা অনুরূপ যান চলাচলের নিষেধ থাকবে।

জাতীয় মহাসড়ক এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যানবাহন বা নৌযান ও জরুরি সেবা প্রদানকারী বা অনুরুপ যান চলাচলের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য হবে।

পরিপত্রে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুসারে সড়ক পরিবহন বিভাগ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কেও এ সংক্রান্ত পৃথক আদেশ জারি করতে বলা হয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ৩০ ডিসেম্বর (রোববার) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে।

এবার ইসির নিবন্ধনে থাকা ৩৯টি দলই প্রার্থী দিয়েছে। দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন ১ হাজার ৮৪৭ জন।