সার্কিট হাউজ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮ টায় ঈদের প্রথম ও প্রধান জামাত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে গতকাল খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা প্রশাসক আমিন উল আহসান।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সকাল সাড়ে আটটায় খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে ঈদ-উল-ফিতরের প্রথম ও প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জামাত সকাল নয়টায় টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে সকাল সাড়ে আটটায় টাউন জামে মসজিদে প্রথম ও প্রধান জামাত, সাড়ে নয়টায় দ্বিতীয় জামাত ও শেষ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে দশটায়।
বসুপাড়া ইসলামাবাদ ঈদগাহ ময়দানে সকাল পৌনে আটটায় ও নিউমার্কেটস্থ বায়তুন-নূর মসজিদ কমপ্লেক্সে সকাল আটটায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, অন্যান্য স্থানীয় মসজিদ সমূহে মসজিদ কমিটি ঈদের নামাজের নিজস্ব সময়সূচি নির্ধারণ করবে।
ঈদের দিন সকল সরকারি বেসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ভবনে যথাযথভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে নামাতে হবে। নগরীর প্রধান প্রধান সড়কসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ চত্বর-সড়কদ্বীপ ও সার্কিট হাউস ময়দান জাতীয় পতাকা ও ঈদ মোবারক (বাংলা ও আরবী) খচিত ব্যানার দিয়ে সজ্জিত করা হবে।
ঈদ উপলক্ষে আইনশৃংঙ্খলা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মহানগর ও মহানগরের বাইরের বিভিন্ন স্পটে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ নিয়োজিত থাকবে । ঈদের সময় চলাচল নির্বিঘœ করতে যত্রতত্র রাস্তায় ব্যানার, গেট নির্মাণ করা যাবে না । ঈদের দিন আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, রাস্তা বন্ধ করে স্টল তৈরি, উচ্চস্বরে মাইক/ড্রাম বাজানো, লাল রঙের পানি ছিটানো এবং ভেপু বাজিয়ে মটর সাইকেল চালানো যাবে না। পকেটমার ও অজ্ঞানপার্টি থেকে জনগণকে সচেতন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যথাযথ ব্যবস্থা নিবে। ঈদের সময় খুলনা মহানগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সিটি কর্পোরেশন যথাযথ ব্যবস্থা নিবে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক),খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা পুলিশ ও র‌্যাবসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব বিভাগের প্রতিনিধি এবং কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।-তথ্য বিবরণী।