হাঁপানি নিরাময়ে সহজ সমাধান ‘লবঙ্গ’!

শীত আপনি গায়ে টের না পেলেও কিন্তু এখন পুরোদমে শীতের বাতাস বইছে। সুস্থ মানুষের এই সময় তেমন কোনো সমস্যা না হলেও হাঁপানি রোগীদের জন্য এই সময়টা খুবই কষ্টের। এখন হাঁপানির জ্বালায় আপনার নাজেহাল অবস্থা নিয়ে টেনশন করবেন না। কারণ আপনার রান্না ঘরের সাধারণ একটি মসলা লবঙ্গ দিয়েই আপনার হাঁপানিকে বিদায় করুন। জি আপনি যে দীর্ঘদিন হাঁপানির সমস্যায় ভুগছেন, তাতে কি লবঙ্গ ব্যবহার করার কথা ভেবেছেন? না ভাবলে আজ আপনাদের লবঙ্গ দিয়ে কীভাবে হাঁপানি দূর করা যায়, সেটা জেনে নিন।

১. মধুর সাথে লবঙ্গ: এটা কিন্তু আপনার হাঁপানির রোগে বেশ কার্যকরী। লবঙ্গে ২০%-২৫% ক্লোভ(লবঙ্গ) তেল আর ১০%-১৫% টাইটার পেনিক অ্যাসিড থাকে। তাই এটা খুব ঝাঁজালো হয় আর তাই হাঁপানির জন্য এটা এত উপকারী।

উপকরণ:

৫/৬ টা লবঙ্গ,

১ টেবিল চামচ মধু।

এক গ্লাস পানিতে লবঙ্গ দিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন। এবার ওই পানিতে মধু দিন আর খান। এই পানি দিনে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করলেই খুব তাড়াতাড়ি হাঁপানির সমস্যা থেকে আপনি রেহাই পাবেন।

২. লবঙ্গের গুঁড়া: হাঁপানির সমস্যা সঙ্গে সঙ্গে দূর করতে পারে এই গুঁড়া ।

উপকরণ:

১০/১২ টা লবঙ্গ।

লবঙ্গ নিয়ে সেটা ভালো করে গুঁড়া করতে হবে। এবার এই গুঁড়া টা একটা সুতির কাপড়ের মধ্যে নিয়ে নাকের কাছে এনে ঘ্রাণ নিন। দেখবেন উপকার পাচ্ছেন।

লবঙ্গ আর গোলমরিচের বড়ি: এই বড়ি আপনার হাঁপানির সমস্যাকে কয়েকদিনের মধ্যেই কমিয়ে আনবে।

উপকরণ: লবঙ্গ গুঁড়া, ব্ল্যাক সল্ট, গোলমরিচ গুঁড়া।

গুঁড়া লবঙ্গ, ব্ল্যাক সল্ট আর গোলমরিচ একসঙ্গে পানি দিয়ে মিশিয়ে নিয়ে লেই মতো করুন। এবার ছোট ছোট মটরশুঁটির সাইজের বড়ি বানান আর রোদে শুকোতে দিন। এয়ার-টাইট কনটেনারে রাখুন। যখনই খুব সমস্যা হবে দুইটা খেয়ে নেবেন। এছাড়া প্রতিদিন একটা করে খেতে পারেন বা মুখে রেখে চুষতে পারেন। ভালো লাগবে অনেকটা।

লবঙ্গের চা: সকালে উঠে চা তো খান। এবার যেভাবে বলছি সেভাবে সকালে উঠে খেয়ে দেখুন।

উপকরণ: লবঙ্গ কয়েকটা, তুলসী পাতা, গোটা গোলমরিচ, সামান্য মধু।

লবঙ্গ, তুলসী পাতা আর গোলমরিচ পানিতে দিয়ে ফোটান দশ মিনিট ধরে। তারপর ছেঁকে নিন। এবার সামান্য মধু যোগ করে হাল্কা গরম থাকতে থাকতে খেয়ে নিন। সকালে এটা ভালো না লাগলে বিকেলে খান। কয়েকদিনেই ফল পাবেন।