হার্ট অ্যাটাকের পূর্বাভাস ৫ বছর আগেই!

ভূমিকম্পেরও পূর্বাভাস দেয়া সম্ভব হয় কখনও-সখনও। কিন্তু হার্ট অ্যাটাক কতদিনের মধ্যে হতে পারে, তা আঁচ করাটা আমাদের আয়ত্তের বাইরেই আছে আপাতত। কিন্তু এবার হার্ট অ্যাটাকেরও পূর্বাভাস দেয়া সম্ভব হবে ৫ বছর আগেই! বলা যাবে, হার্ট অ্যাটাক হবে কিনা, হার্টের ভাল্বে কোনো ফুটো আছে কিনা বা আগামী দিনে তেমন কিছু হওয়ার সম্ভাবনা কতটা! তা কতটা ‘ম্যাসিভ’ হতে পারে, সেটাও আঁচ করা যাবে অনেক আগেই!

আর তার জন্য কোনো এক্সরে করতে হবে না। ডপলার সাউন্ড এফেক্টের মাধ্যমেও তা বোঝার চেষ্টা করতে হবে না। শুধু চোখ দেখে, রেটিনার চেহারা, চরিত্র, আচার-আচরণ দেখেই এবার অনেক আগেভাগে হার্ট অ্যাটাকেরও পূর্বাভাস দেয়া সম্ভব হবে। এই অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে গুগলের ৮ সদস্যের একটি গবেষক দল। ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউয়ে গুগলের সদর দফতরে এ গবেষণা করা হয়।

গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার-বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং’-এ। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম- ‘প্রেডিকশন অব কার্ডিওভাসকুলার রিস্ক ফ্যাক্টর্স ফ্রম রেটিনাল ফান্ডাস ফটোগ্রাফস ভায়া ডিপ লার্নিং।’ ওই পূর্বাভাস দেয়া সম্ভব হবে গুগলের গবেষক দলের বানানো একটি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স সফ?টওয়্যারের মাধ্যমে।

রেটিনা দেখে শরীরে কোনো রোগ হয়েছে কিনা, তা বোঝার পদ্ধতি বহুদিন ধরেই চালু চিকিৎসক মহলে। ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের উচ্চমাত্রা বোঝার প্রাথমিক উপায় হিসেবে চিকিৎসকরা বহুদিন ধরেই রেটিনা পরীক্ষা করে আসছেন। এমনকি কয়েক ধরনের ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও প্রাথমিকভাবে রেটিনা পরীক্ষার চল রয়েছে। সূত্র : আনন্দবাজার।