21 ফেব্রুয়ারি 2017

নদীভাঙ্গনে প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে দাকোপের পাঁচটি ইউনিয়ন

150530-Dacope-riverখুলনানিউজ.কম:: দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের রামনগর নতুন বাজার এলাকার লাগাতার নদীভাঙ্গনে ৩৩নং পোল্ডারের ৫টি ইউনিয়ন ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় রয়েছে। বেডিড়বাঁধ মেরামতের তেমন কোনো উদ্যোগ না দেখে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষ দুশ্চিন্তায়

রাতে ঘুমাতে পারছে না। বাঁধ ভেঙ্গে যখন তখন প্লাবিত হতে পারে কৈলাশগঞ্জ, দাকোপ, বাজুয়া, লাউডোব ও বানীশান্তা ইউনিয়ন। আর এই এলাকায় পানী প্রবেশ করলে ৫টি ইউনিয়নে বসবাসরত ৭২,৪৪৮জন মানুষ মহা দূর্যোগের কবলে পতিত হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রামনগর নতুন বাজার এলাকার অর্ধ কিঃমিঃ জায়গা জুড়ে মূল বেড়ীবাঁধ সহ বাজারের প্রায় ২০ বিঘা জমি ভদ্রা নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। বসতি দোকান্দার দিলীপ কুমার মন্ডল বলেন, নদী ভাঙ্গনের কারণে এযাবৎ ৮বার তার দোকান ঘর স্থান পরিবর্তন করা লেগেছে। মূল বাজারের যে যায়গা এবং  পাকা চাঁদনি ছিল তা নদীতে হারিয়ে গেছে।বর্তমানে ভাঙ্গনের অবস্থা খুবই বিপদজনক হয়ে উঠেছে।

এখানে বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায় বাংলাদেশ সরকার ও বিসিসি আর এস-এর ২কোঃ ৬১লাঃ ৭৯হাঃ ৭৪৬টাঃ ৪৪পয়সা অর্থ সহায়তায়  ভাঙ্গনের ১০গজ অদুরে রাস্তার পূর্ব পার্শে নির্মিত হচ্ছে রামনগর দক্ষিণ পাড়া জগন্নাথ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতল ভবন। স্থানীয়রা বলেন, এই ভবন যেকোনো মুহুর্তে নদীগর্ভে দেবে যেতে পারে। তারা আরও বলেন, উক্ত স্থানের ভাঙ্গন রোধে অতি দ্রুত কাজ না হলে এই এক জায়গার ভাঙ্গনের জন্য গোটা ৩৩নং পোল্ডারের ৫টি ইউনিয়ন জলমগ্ন হওয়ার আশংকা রয়েছে। বাজারের হোমিওপ্যাথী ডাক্তার বিধান রায় বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ শুনছি বিশ্ব ব্যাংকের টাকায় ওয়াপদার রাস্তা বড় করে দেওয়া হবে অথচ একাধিকবার মাপ ও ফটো নেওয়া ছাড়া এখনও পর্যন্ত কোনো কাজ চোখে পড়ছে না।

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় দাকোপ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেনের সাথে তিনি বলেন, রামনগর বাজারের নদীভাঙ্গনের জন্য দুঃশ্চিতায় আছি। যত দ্রুত সম্ভব ভাঙ্গন স্থান মেরামত করা যায় তার চেষ্টা চলছে। বিশ্ব ব্যাংকের টাকায় ৩৩নং পোল্ডারের ওয়াপদার রাস্তা নির্মান হবে এবং এর জন্য অতি শীঘ্র টেন্ডার হবে।

// দীপক রায়, দাকোপ, খুলনা: ৩০-০৫-২০১৫ //