28 মে 2017

শিশু হাসমি হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু, রায় এ মাসেই

খুলনানিউজ.কম:: নগরীর আড়ংঘাটা থানা এলাকার শিশু হাসমি মিয়া (৯) হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার থেকে একটানা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক এ হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ চলবে। খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে এ মামলার চার্জশিটভুক্ত দু’জন আসামীকে অব্যাহতি দিয়ে ৫জনের বিরুদ্ধে চার্জ

গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ গঠন হওয়া ৫জন আসামী হলো, সোনিয়া আক্তার, মো. নুরুন্নবী, মো. রসুল, মো. হাফিজুর রহমান ও রাব্বি সরদার। এছাড়া অব্যাহতি পাওয়া দু’জন হলেন, মো. জসিম খান ও মো. আসাদ ফকির।

বিচারক মোসাম্মাৎ দিলরুবা সুলতানার আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের প্রথম দিন রোববার হাসমির পিতা বাদি  মো. হাফিজুর রহমানের আংশিক সাক্ষ্য হয়। সোমবার বাদির বাকি সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। এছাড়াও আরো ৭জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার জব্দ তালিকা ও সুরতহাল প্রতিবেদকের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। মামলায় মোট ২৭জন সাক্ষী রয়েছে। 

মামলার বিবরণে সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৬জুন রাত পৌনে ৯টার দিকে শিশু হাসমিকে অপহরণ করা হয়। এরপর ৯জুন সকালে খুলনা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন সরদারডাঙ্গা বিলের মধ্যে থেকে সিমেন্টের বস্তাবন্দি অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনায় সেদিনই হাসমির পিতা মো. হাফিজুর রহমান বাদি হয়ে মো. নুরুন্নবী, হাফিজুর রহমান, মো. রসুলের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২/৩জনের বিরুদ্ধে অপহরণের পর হত্যা ও লাশ গুমের মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আড়ংঘাটা থানার এসআই মো. মিজানুর রহমান একই বছরের ৩০ জুন এজাহারভুক্ত হাফিজুর রহমান ও আসাদ ফকিরকে বাদ দিয়ে সোনিয়া আক্তার (২৬), মো. নুরুন্নবী (২২) ও মো. রসুলের (১৯) বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ওই চার্জশিটের বিরুদ্ধে বাদির নারাজি আবেদনের পর পুনরায় তদন্ত শেষে সিআইডির পরিদর্শক মিঠু রানী দাস একই বছরের ২৮ ডিসেম্বর ৭জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে চার্জশিট গৃহীত হওয়ার পর মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

// ১৮-০৪-২০১৭ //