24 মে 2017

কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী হাসপাতালে

খুলনানিউজ.কম:: ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে বিভিন্ন স্কুলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী হাসপাতালে এসেছে।  তবে ডাক্তাররা বলছে আতঙ্কিত হওয়ার তেমন কিছু নেই।

শিক্ষক ও স্বজনরা জানায়, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে শনিবার সকালে শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। এরপর থেকে প্রথমে অচিন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে। এরপর দেবতলা, কবিরপুর, হিতামপুর, কাতলাগাড়িসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে থাকে। তাদেরকে ভ্যান, নসিমন ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হঠাৎ করেই শতাধিক শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় স্যালাইনের অভাব দেখা দিয়েছে। তবে জেলা স্বাস্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন।

তবে হাসপাতালের ডাক্তাররা বলছে, আতঙ্কিত বা উদ্বেগের কিছু নেই। এটা সাময়িক প্রতিক্রিয়া। বাচ্চারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে বলে হাসপাতালের বেশ কয়েকজন ডাক্তার জানিয়েছেন।

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মো. বাবর জানান, এ ওষুধে মৃত্যু ঝুঁকি নাই, তবে খালি পেটে খেলে অথবা সেবনের পর পরই রোদে গেলে বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দিতে পারে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওসমান গনি জানান, হাসপাতাল চত্বরে মাইকযোগে সকল কে আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করছেন।

ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের রোগ নিয়ন্ত্রন বিভাগের চিকিৎসক ডা. আরিফ আহমেদ জানান, শিশুরা ম্যাচ সাইকোজেনিক ইলনেস অর্থাৎ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে হাসপাতালে আসছে। তবে আমরা তাদেরকে চিকিৎসা দিচ্ছি।

// ০১-০৪-২০১৭ //