19 জানুয়ারি 2017

মাগুরায় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসে আলোচনা ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত

খুলনানিউজ.কম:: জাতিসংঘ ঘোষিৃত মাতৃমৃত্যু রোধের লক্ষ্যমাত্র অজর্নে বিশ্বে যেসকল দেশ সফলতা অর্জন করেছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২০১৫ সালের মধ্যে এমডিজি অনুযায়ী ২০০০ সালের তুলনায় বিভিন্ন দেশ তাদেও অগ্রগতি বাড়াতে না পারলেও বাংলাদেশের অগ্রগতি সন্তোষজনক।  বলা যায় মাতৃমৃত্যুরোধে বাংলাদেশ এখন বিশ্ব উদাহরন।

আজ সকালে মাগুরা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও সমমনা বেসরকারী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় উপরোক্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। সকাল ৯টায় সদও হাসপাতাল থেকে দিবসের বনার্ঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। এতে স্বাস্থ্য বিভাগ, বেসরকারী সংস্থা ব্য্রাক, এফপিএবি, পিকেএস, মেরীস্টপসহ বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থার কর্মকতৃা কর্মচারীরা অঙশ গ্রহন করেন। র‌্যালী শেষে সদও হাসপাতাল মিলনায়তনে দিবসের মূল আলোচনা সভা ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা:মো: শফিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সদর হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা: শামসুন্নাহার লাইজু। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্বাচিবের সাধারন সম্পাদক ডা: কাজী তারিফুজ্জামান, এফপিএবির সহকারী জেলা কর্মকর্তা অরুন শীলসহ সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো: জিল্লুর রহমান।
এমডিজির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০১৫ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যুর হার ৪ ভাগের ৩ ভাগ ও নবজাতকের মৃত্যুও হার ৩ ভাগের ২ ভাগ কমিয়ে আনতে হবে। মাগুরায় মাতৃমৃত্যু ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে নিয়োজিত বেসরকারী সংস্থা বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি(এফপিএবি)ও সহকারী জেলা কর্মকর্তা অরুন শীল জানান, দেশে বর্তমানে প্রসবজনিত মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১৭০জন। ১৯৯০ সালে মৃত্যুর এই হার ছিল লাখে ৫৭৪জন। ২০০১ সালে এটা কমে দাড়ায় লাখে ৩২২জন। ২০০৬ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যুহার ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ হ্রাসের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখন দেশে মাতৃমৃত্যুও হার ছিল লাখে ৩২০ জন। যা ২০১০ সালে এসে দাড়ায় ১৯৪ জনে। গত বছর ২০১৪ সালে এ হার ছিল লাখে ১৭০ জন।

// অরুন শীল, মাগুরা: ২৮-০৫-২০১৫ //