29 জুন 2017

মেহেরপুরে নারীর লাশ উদ্ধার, আটক ২

170430-Meherpur-lassখুলনানিউজ.কম:: মেহেরপুর শহরের দীঘিরপাড়ার উত্তর মাঠ এলাকা থেকে সোহাগী (৫২) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নজু ও আজিত নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা

পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা পুলিশ জানাতে পারেনি। তবে নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কাঁঠাল গাছের পাতা ছেঁড়া ও ছাগলে পাট খাওয়ার বিষয়কে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের ধারণা। ওই রাতেই খেত মালিকের দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়েছে পুলিশ।

নিহতের পরিবার জানান, শনিবার বেলা ১১টার দিকে সোহাগী কয়েকটি ছাগল নিয়ে বাড়ির পাশের মাঠে যান। এর পরে আর বাড়ি ফিরে আসেননি। দিনভর খোঁজাখুঁজির পরে রাতে একই গ্রামের গরম নিয়ামতের কলার খেত থেকে কলার পাতায় ঢাকা তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের একমাত্র ছেলে সাইদুল জানান, হত্যা করার পর নজু তাদের বাড়িতে ছাগল দিতে যান। ওই সময় তার মার কথা জিজ্ঞাসা করতে নজুর কথা-বার্তা অসংলগ্ন ছিল। এর আগে গরম নিয়ামত আলীর দুই ছেলের হাতে নিড়ানি ছিল বলে কেউ কেউ দেখেছে।

মেহেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, দিঘিরপাড়া মাঠের একটি কলা খেতে কলার গাছ ও পাতা দিয়ে মরদেহ ঢাকা ছিল। দিনের কোনো এক সময় তাকে হত্যা করে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে কী কারণে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা নিশ্চিত নয়। রাতে খবর পেয়ে পুলিশ সোহাগীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খেত মালিক নিয়ামত আলীর দুই ছেলে নজু ও আজিতকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

নিহত সোহাগী দীঘিরপাড়ার পুলিশ লাইন এলাকার মৃত সুরাত আলী মেয়ে। তার স্বামীর নাম রেজাউল করিম। একমাত্র সন্তান সাইদুল জম্মের পর প্রায় তিন যুগ আগে রেজাউল করিম তাকে বাবার বাড়ি রেখে চলে যায়। তখন থেকেই সোহাগী তার বাবার বাড়ি দীঘিরপাড়ায় বসবাস করে আসছিলেন।

// ৩০-০৪-২০১৭ //