24 ফেব্রুয়ারি 2017

তালায় একটি বাড়ি একটি খামারের ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষন সমাপ্ত

খুলনানিউজ.কম:: সাতক্ষীরা তালায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা ও আয়বর্ধক কর্মকান্ড সৃজন” শীর্ষক ২ দিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষন সমাপ্ত হয়েছে। রবিরার শেষ দিনে বিআরডিপি হল রুমে প্রশিক্ষনে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান সভাপতি হিসাবে সমাপনী বক্তব্য রাখেন। প্রশিক্ষনের শেষ দিনে প্রশিক্ষক হিসাবে

আলোচনা করেন, উপজেলা কৃষি অফিসার সামছুর আলম, প্রানী সম্পদ অফিসার পরিতোষ রায়, মৎস্য অফিসার অমল কান্তি রায়।

অন্যান্যের মধ্যে বিআরডিপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সরদার, প্রকল্প সমন্বয়কারী জয়ন্ত কুমার ঘোষ  সমাজ সেবক মীর জিল্লুর রহমান, ফিল্ড সুপারভাইজার আফজাল বশির, রিয়াজ উদ্দিন, মাঠ সহকারী গোপাল চন্দ্র রায়, দিপংকর ঘোষ, জাহাঙ্গীর আলম, কাকুলী রানী অনিমা কর্মকার, দিপা ঘোষ, মরিয়ম খাতুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালা উপজেলায় প্রকল্পের উপকারভোগীদের ২ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষনে ৫০ জন অংশ গ্রহন করছেন।

এছাড়া উপজেলার ১০৮ টি গ্রামে ৬৪৮০ টি পরিবার এই প্রকল্পের আওতায় আসায় গ্রামীন আর্থিক উন্নয়ন হচ্ছে বলে জানান, উপজেলা সমন্বয়কারী জয়ন্ত কুমার ঘোষ।  

// সেলিম হায়দার, তালা, সাতক্ষীরা: ৩১-০৫-২০১৫ //

প্রচন্ড গরমে পিপাসা মিটাতে ডাবের কদর বেড়েছে

খুলনানিউজ.কম:: এখন চলছে মধুমাস জ্যেষ্ঠ মাস। আর এই মধুমাস জ্যেষ্ঠের প্রচন্ড গরমে সবাই ক্লান্ত। গরমের দাপটে আমাদের দেহ পুড়ছে। অত্যাধিক গরমের কারণে শরীর ঘেমে গিয়ে বেরিয়ে আসে শরীরের খনিজ লবণ। যাতে দেহ হয়ে যায় পানি শূন্য। তখন পিপাসায় ফেটে যেতে চায় বুক। কিন্তু পানি খেলে তো আমাদের শুধু পিপাসা মিটে। শরীর থেকে যে সব লবণ বের হওয়ার কারণে শরীর ক্লান্ত  হয়ে পড়ে সেই লবণ তো আর পূরণ হয় না। তারপরও যেন মন চায়, হাতের কাছে যদি এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পেতাম? তাহলে খুবই চরম হতো! এই সমস্যা দূর করার জন্য আমাদের খাদ্য তালিকায় থাকে নানা ধরণের ফলের শরবত, কোমল পানীয়, ডাবের জল আরো কত কি! যাই হোক যদি শরীরের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রাখেন তাহলে গলার পিপাসা আর শরীরকে সতেজ রাখতে ডাবের পানির কোন তুলনা নেই। কারণ ডাবের পানি শুধুমাত্র পানীয় হিসেবেই সীমাবদ্ধ নয়, এটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লবণ ও নানা রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। যা অনেক জটিল রোগ নিরামক হিসেবেও কাজ করে।

অনেকে এই গরমে কিছুটা আরাম পেতে প্রচুর পরিমাণে সফট ড্রিকংস পান করেন। কিন্তু কোমল পানীয় নাম হলেও তা কিন্তু আসলেই কোমল না। শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। গত দুসপ্তাহ প্রচন্ড তাপদাহ ছিল, কিন্তু গত ২৫.০৫.১৫ তারিখ সোমবার সন্ধ্যায় হালকা বৃষ্টি হওয়ার পর তীব্র নয়, মৃদু তাপমাত্রা বইছে এখন। অথচ মনে হচ্ছে তার বহুগুণ বেশি গরম। এ অবস্থায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম অস্বস্তি। টানা ভ্যাপসা গরম আর অনাবৃষ্টির কারণে মানুষের প্রাণ প্রায় ওষ্ঠাগত। ব্যাঘাত ঘটছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়। গরমে খুব বেশি প্রয়োজন না পড়লে ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না মানুষ।

তবে গরমের কারণে কর্মজীবী মানুষকে পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। অতিরিক্ত ঘামে পানিশূন্যতায় একটুতেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশু ও বয়স্ক মানুষ।

গরমে একটু প্রশান্তির খোঁজে কেউ বা আশ্রয় নিচ্ছেন গাছের নিচে, আবার কেউ বা বৈদ্যুতিক পাখার নিচে। গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারের দোকানগুলোতে ঠান্ডা পানীয় পান ও ফলমূল খাওয়া বেড়ে গেছে।

এ ছাড়াও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রচুর পরিমাণ স্যালাইন ও ডাবের পানি পান করতে দেখা গেছে। গ্রীষ্মের প্রচন্ড তাপে তালসহা সাতক্ষীরার শহরে কচি ডাবের কদর খুব বেড়েছে। অসহনীয় গরমে ডাবের শীতল ও বিশুদ্ধ পানি পান করে কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস নেবার চেষ্টা করছেন অনেকে।

এক মাস আগে একটা কচি ডাব অবস্থা ভেদে ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে তা ২৫-৩৫ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। সাতক্ষীরা-খুলনা,খুলনা-পাইকগাছা রোডের বিভিন্ন মোড়ে বসে ডাব বিক্রেতা আতিয়ার রহমান,হাসেম,কালামসহ অনেকে জানান, এখন ডাবও খুব একটা পাওয়া যাচ্ছে না। আগে গড়ে ১শ’ ডাব ১৫শ থেকে ২হাজার টাকা দরে কেনা যেত। বর্তমানে তা বেড়ে দাড়িয়েছে ২৫শ থেকে ৩হাজার টাকায়।

তালা বাজারে কাশেম  ছায়াযুক্ত পরিবেশ হওয়ায় যাত্রিরা যানবাহন থামিয়ে কেউ আবার প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মটরসাইকেল, নসিমন, করিমন, ইজিবাইক, ভ্যান থামিয়ে ডাব কিনে খাচ্ছে।

এভাবে সে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬ট পর্যন্ত ১৫০থেকে ২০০ডাব বিক্রি করে। এছাড়া তালা বাজরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ফুট পথে, কেউ আবার ভ্যানে  করে ডাব বিক্রি করছে। এদের কাছ থেকে ডাব কিনে পিপাসা মিটাচ্ছে অনেক কর্মজীবী ব্যস্ত মানুষ।

// সেলিম হায়দার, তালা, সাতক্ষীরা: ৩১-০৫-২০১৫ //