27 জুন 2017

মুহম্মদ জাফর ইকবালের নেতৃত্বে গিনিচ বুকে উঠছে বাংলাদেশ!

খুলনানিউজ.কম:: অস্ট্রেলিয়াকে সরিয়ে এবার গিনিচ বিশ্ব রেকর্ড বুক-এ উঠতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নাম। “স্কুল পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিজ্ঞান বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যবহারিক ক্লাস” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায়।

যার মধ্য দিয়ে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়াকে পিছিয়ে ফেলে গিনিচ বিশ্ব রেকর্ড বই-এ অন্তর্ভুক্ত হবে বাংলাদেশ।এ ব্যাপারে এই আয়োজনের রিসোর্স পারসন স্বনামধন্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান এবং তথ্য প্রযুক্তিতে ঈর্ষণীয় সফলতা লাভকারী দেশ অষ্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন, কুইন্সল্যান্ডে ২০১৬ সালের ১৬ আগষ্ট (অষ্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিজ্ঞান সপ্তাহ উপলক্ষে) মাত্র সাড়ে চার মাস পূর্বে একসাথে ২৯০০ স্কুল ছাত্রছাত্রীকে বিজ্ঞান বিষয়ক পাঠদান করে গিনিচ বিশ্ব রেকর্ড বুকে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছেন।

আমার মত ক্ষুদে মানুষের মনে হলো বিজ্ঞান এবং তথ্য প্রযুক্তিতে ঈর্ষণীয় অগ্রগতি লাভকারী দেশ অষ্ট্রেলিয়ায় যদি এ রকম একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজ্ঞানকে ছাত্রছাত্রীদের মাঝে জনপ্রিয় করা যায়; তবে আমাদের মত জনবহুল দেশে আমরা একসাথে ৩২০০ এর অধিক ছাত্রছাত্রীকে বিজ্ঞান এবং তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক পাঠদান করে এ বিষয়টিকে ছাত্রছাত্রীদের মাঝে জনপ্রিয় করার উদ্যোগ নিচ্ছি না কেন?’

উল্লেখ্য, রেকর্ডের পাতা থেকে মাত্র সাড়ে চার মাসের মধ্যে অস্ট্রেলিয়াকে সরিয়ে বাংলাদেশের নাম গৌরবের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তির জন্য এ পাঠদান কার্যক্রমটি বুধবার কুলিয়ারচর উপজেলার থানার মাঠে আন্তর্জাতিক মানের সুবিধা সম্পন্ন শ্রেণীকক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যবহারিক ক্লাসের আয়োজক ও কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ড. উর্মি বিনতে সালাম পরিবর্তন প্রতিবেদককে জানান, ‘এতে স্কুল পর্যায়ের ৩২০০ এর অধিক ছাত্র-ছাত্রীকে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর তত্ত্বাবধানে পাঠদান করা হবে। উপজেলা প্রশাসনের বিশ্বাস এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল হওয়ার পাশাপাশি এ দেশের আগামী প্রজন্মের একটি বড় অংশ বিজ্ঞানও তথ্যপ্রযুক্তিতে উৎসাহিত হবে, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে কি কি করতে হবে তা সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাবে, সত্যিকারের বিজ্ঞান প্রজন্ম হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তোলার যথেষ্ট উপকরণ পাবে, যা উন্নত বাংলাদেশ গড়তে যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে। এছাড়াও অনুষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সকলেই রেকর্ডের অন্তর্ভূক্ত হবেন।’

তিনি আরও জানান, এ পাঠদানের মাধ্যমে উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী সহ দেশের সকল ছাত্র-ছাত্রী বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, বিশ্ব রেকর্ড, গিনিচ বুক সম্পর্কে জানবে, শিখবে কিভাবে মেধাও শ্রম দিয়ে নিজের স্থান অর্জন করে নিতে হয় এবং বিশ্ব নেতৃত্বে নিজেকে যোগ্য বলে স্বীকৃতি আদায় করে নিতে হয়।

// ১০-০১-২০১৭ //