ঈদুল আযহার ছুটিতে নগরীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ছিল উপচেপড়া ভিড়

এইচ এম আলাউদ্দিন:: রূপসা সেতু থেকে বনবিলাস চিড়িয়াখানা। নগরীর পার্কগুলোসহ পার্শ্ববর্তী ফাঁকা জায়গার সব স্থানেই ছিল উপচেপড়া ভিড়। ঈদের ছুটিতে এবারের আবহাওয়াও ছিল তুলনামূলক ভাল। তাই ঘোরাঘুরির জন্য নগরবাসী বেছে নিয়েছিলেন এসব জায়গাকে। কোন কোন পার্কে নতুন নতুন রাইড সংযোজন করায় দর্শনার্থীদের সংখ্যাও বেড়েছে। যদিও ২/১টি পার্ক কর্তৃপক্ষ বলছেন তুলনামূলক দর্শনার্থী বাড়েনি। তবে ঈদের ছুটিতে খুলনার মানুষ বিনোদনের জায়গা খুঁজতে ভিড় জমিয়েছিলেন নগরীর বিভিন্ন পার্কে।

ঈদের দিন বিকেল থেকেই রূপসা সেতুতে পর্যটকদের ভিড় ছিল লক্ষ্যনীয়। ভিড় বাড়ে শুক্রবারও। বিনোদনের জন্য নগরীতে তেমন কোন জায়গা না থাকায় ফাঁকা জায়গা হিসেবেই এটিকে খুঁজে নেয় নগরবাসী। একই ধরনের ভিড় ছিল নগরীর রুজভেল্ট জেটি সংলগ্ন ঘাট এলাকায়। খুলনা সিটি কর্পোরেশন সেখানে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ওয়াকওয়েসহ কিছু দর্শনীয় স্থাপনা তৈরি করায় বিনোদনের জন্য সেটিকেও বেছে নেয় নগরবাসী।

এছাড়া ঈদের দিন বিকেল থেকে নগরীর জাতিসংঘ শিশুপার্কে শুরু হয়েছে ঈদ মেলা। যা শেষ হচ্ছে আজ শনিবার। শুক্রবার এবং ঈদের ছুটি থাকায় গতকাল এ পার্কেও ছিল প্রচুর ভিড়।

শিরোমনির গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট সংলগ্ন বনবিলাস চিড়িয়াখানা ও বনবিলাস শিশুপার্কেও গতকাল ছিল উপচেপড়া ভিড়। সেখানকার শিশুপার্কেও সংযোযিত হয়েছে নতুন নতুন রাইড। শিশুরা একের পর এক মেতেছিল রাইড নিয়ে।

গত বছরের ঈদের চেয়ে এবারের ঈদ-উল-আযহায় নগরীর খালিশপুরস্থ ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশুপার্কে দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। এমনটি জানিয়ে পার্কের জেনারেল ম্যানেজার মো: গোলাম মোস্তফা বলেন, আগের চেয়ে পার্কের দৃশ্যপট বদলেছে, পরিবেশ ভাল হয়েছে, বাম্পার কার সংযোজন হয়েছে, ফোয়াড়া চত্বর, ব্রীজের আকর্ষনেও মানুষ আসছে আগের চেয়ে বেশি। চীন থেকে আরও কিছু রাইড আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেগুলো সংযোজন হলে পার্কের চিত্র আরও বদলে যাবে।

পার্কের ম্যানেজার একাউন্টস্ শেখ মাহাতাব হোসেন বলেন, গত কোরবানীর ঈদের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন বেড়েছে দর্শনার্থীর সংখ্যা। গতকাল শুক্রবার ১১শ’, বৃহস্পতিবার ১৬শ’ এবং ঈদের দিন ৭শ’ দর্শনার্থী ওয়ান্ডারল্যান্ডে প্রবেশ করে বলেও তিনি জানান।

স্বপরিবারে পার্কে ঘুরতে যাওয়া কাঞ্চন শিকদার বলেন, খুলনায় বিনোদনের তেমন কোন জায়গা নেই। ছুটির দিনে স্ত্রী, সন্তান নিয়ে ঘুরে বেড়ানোরও ভাল কিছু নেই। পার্কগুলো পরিণত হয়েছে কপোত-কপোতিদের আড্ডাস্থলে। এতে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে পার্কগুলোতে গেলেও অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। এসব ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে আর একটু সজাগ দৃষ্টি রেখে অন্তত:পক্ষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘোরা যায় এমন পরিবেশ তৈরি করা উচিত বলেও তিনি মনে করেন।

এডিটর-ইন-চিফ : মাহমুদ হাসান সোহেল
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : আবু বকর সিদ্দিক সাগর
নিউজরুম মেইল: khulnanews24@gmail.com এডিটর ইমেইল : editor@khulnanews.com
Khulna Office : Chamber Mansion (5th Floor), 5 KDA C/A, Jessore Road, Khulna 9100,
Dhaka Office : 102 Kakrail (1st Floor), Dhaka-1000, Bangladesh.
কপিরাইট © 2009-2020 KhulnaNews.com